রূপগঞ্জে অপহৃত কিশোর উদ্ধার গ্রেফতার-১

82

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের যাত্রামুড়া থেকে অপহরণ করা এক কিশোরকে উদ্ধার এবং ১ জন অপহরণকারীকে সোমবার গ্রেফতার করেছে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ। অপহৃত কিশোরের নাম নাঈম(১২)। আটককৃত অপহরণকারী হলেন, বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলার মধ্য দিঘলকান্দি এলাকার মোঃ মাসুদ প্রামানিকের ছেলে শাওন প্রামানিক (১৯)। পলাতক রয়েছে আরো ২জন অপহরণকারী। তারা হলো, যাত্রামুড়া এলাকার রেজা মিয়ার ছেলে পিঞ্জল(১৯), বেড়িবাধ এলাকার আবু ছিদ্দিকের ছেলে ইমামুল(১৮), বর্তমানে তারা যাত্রামুড়া বেড়িবাধ সুইচ গেইট এলাকায় থাকে। ভুক্তভোগী ও পুলিশসূত্রে জানা যায়, কিশোর নাঈমের বাবা লক্ষীপুর যাত্রীবাহী লঞ্চে কাজ করে। দীর্ঘদিন যাবৎ তার মা কিশোর নাঈমকে নিয়ে রূপগঞ্জের যাত্রামুড়া এলাকায় ভাড়া থাকে এবং একটি সোয়েটার ফ্যাক্টরীতে কাজ করেন। কিশোর নাঈম তার মাকে সাহায্য করতে ওয়ান স্টার রেস্টুরেন্টে কাজ করে। গত (২৯ মে)রবিবার দিবাগত রাতে কিশোর নাঈম কাজ শেষে হেঁটে বাড়ি ফেরার পথে অপহরণকারীরা তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় এবং রাত ১টা ৩০মিনিটের দিকে কিশোর নাঈমের বাবার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে কল দিয়ে মুক্তিপণের টাকা দাবি করলে নাঈমের বাবা তার মাকে এ বিষয়টি জানালে তিনি ছেলের মোবাইল নাম্বারে কল দিয়ে বন্ধ পান। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজা-খুঁজি করেও ছেলের সন্ধান পাননি। পরে (৩০ মে) সোমবার সকাল ১০টার দিকে কিশোর নাঈমের মা তারাব বিশ^রোড এলাকায় ডিউটিরত পুলিশ এসআই আবু হানিফ মিয়াকে এ অপহরণের বিষয়টি জানালে অপহরণকারীদের বিকাশ নাম্বারে কল দিয়ে টাকা দেয়ার কথা বলেন তিনি। পরে অপহরণকারীরা যাত্রামুড়া এলাকার সোনালী পেপার মিলের পাশে একটি বিকাশের দোকানে আসতে বলে। তাদের কথা মতো এসআই আবু হানিফ ও কিশোর নাঈমের মা উক্ত স্থানে গিয়ে শাওন নামে একজন অপহরণকারীকে দেখতে পান। যে চাঁদার টাকার জন্য দাঁড়িয়েছিল। এসআই আবু হানিক শাওনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে অপহৃত নাঈমকে আহত অবস্থায় যাত্রামুড়া সোনালী পেপার মিলের পাশের একটি পরিত্যক্ত তুলা কারখানা থেকে উদ্ধার করে। অপহরণকারী শাওনকে আটক করে রূপগঞ্জ থানায় প্রেরণ করেন । এ বিষয়ে অপহৃত কিশোর নাঈমের মা রূপগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম সায়েদ বলেন, অপহৃত কিশোর নাঈমকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। অপহরণকারীকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলা হয়েছে।