স্বামীর সাথে অভিমান করে স্ত্রীর আত্মহত্যা

133

ফতুল্লায় স্বামীর সাথে মাজারে যাবার সঙ্গী হতে না পেরে  স্বামীর ওপর অভিমান করে সুমাইয়া আক্তার (১৮) নামক এক গৃহবধু গলায় ফাঁস দিয় আত্নহত্যা করেছে বলে জানা যায়।  এ ঘটনায় পুলিশ নিহতের স্বামী ছগির আকন (২৪) কে গ্রেফতার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত ছগির আকন বরগুনা জেলার বেতাগি থানার কদমতলার হোসনাবাদ গ্রামের ফারুক আকনের পুত্র।

মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে ফতুল্লা থানার দাপা ইদ্রাকপুরের পোস্ট অফিস রোডস্থ সামছুল আলমের ভাড়াটিয়া বাসায় এই ঘটনাটি ঘটে।

নিহত সুমাইয়া আক্তার বরগুনা জেলার বেতাগি থানার দক্ষিন বড় মোকামিয়ার মোঃ শহিদুল ইসলামের মেয়ে।

এ ঘটনায় নিহত সুমাইয়া আক্তারের ভাই বাদী হয়ে আত্নহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে নিহতের স্বামী গ্রেফতারকৃত  ছগির আকন কে আসামী করে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

মামলায় উল্লখ্য করা হয়, বিগত ছয় মাস পূর্বে নিহত সুমাইয়ার সাথে গ্রেফতারকৃত ছগির আকনের সাথে পারিবারিক সম্মতিক্রমে গ্রামের বাড়ী বরগুনাতে বিয়ে হয়। তিন মাস পূর্বে গ্রেফতারকৃত ছগির আকন তার বোনকে নিয়ে বর্তমান ঠিকানা ফতুল্লা থানার দাপা ইদ্রাকপুরের পোস্ট অফিস রোডস্থ সামছুল আলমের বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাসের পাশাপাশি স্থানীয় একটি গার্মেন্টসে চাকুরি করে আসছিলো। মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেফতারকৃত ছগির আকন প্রতিবেশী চাচা-চাচীর সাথে ঢাকা জেলার দোহারে অবস্থিত নুরুল্লাহপুর মাজারে যাওয়ায় জন্য তৈরী হয়। এ সময় নিহত সুমাইয়া ও যাওয়ার জন্য বায়না ধরে। কিন্তু স্বামী ছগির আকন তাকে না নিয়ে উল্টো গালমন্দ করে মাজারে চলে যায়। তারা চলে গেলে ঘরের দরজা বন্ধ করে সুমাইয়া ঘরের আড়ার সাথে ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করে। পুলিশ সংবাদ পেয়ে রাত এগারোটার দিকে ঘরের দরজা ভেঙ্গে নিহতের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে নিয়ে  যায়।

এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক হারেছ শিকদার জানায়,আত্নহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত আসামী ছগির আকন কে গ্রেফতার করা হয়েছে।