আড়ম্বর ছাড়াই পালিত হল বিদ্যার দেবী সরস্বতী পুজা

126

স্টাফ রিপোর্টারঃ আজ আড়ম্বর ছাড়াই পালিত হল সরস্বতী পূজা। হিন্দুধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাসমতে মা সরস্বতী জ্ঞানময়ী বিদ্যার দেবী। এটি সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব। মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে গেল দুই বছর ঘটা করে সরস্বতী পূজা করা না গেলেও এবার স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনেকটা অনাআড়ম্বরপূর্ণভাবেই পালিত হচ্ছে সরস্বতী পুজা। পঞ্জিকা মতে, শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলা মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে সাদা রাজহাঁসে চেঁপে কল্যাণময়ী বিদ্যাদেবী সরস্বতীর আবাহন। এক হাতে বীণা অন্যহাতে পুস্তক তাই স্বরস্বতী দেবীকে বীণা পানি-সরস্বতী দেবীও বলা হয়। বিদ্যাদেবীর কৃপালাভের আশায় সারাদেশে উদযাপিত হচ্ছে সরস্বতী পূজা। অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করতে কল্যাণময়ী দেবীর পাদপদ্মে প্রণতি জানাবেন কোমলমতি বিদ্যার্থীরা। ঢাক-ঢোল, কাজের ঘন্টা আর শঙ্খধ্বনিতে মুখরিত প্রতিটি মন্দির। মন্দির ছাড়াও বাসা-বাড়িতেও সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। সরস্বতী বিদ্যা ও ললিতকলার অধিষ্ঠাত্রী দেবী হিসেবে পূজিত হোন। তবে জানা গেছে, করোনার কারণে এবারও মূল পূজার বাইরে আর কোনো আনুষ্ঠানিকতা থাকছে না। আয়োজকরা জানিয়েছেন, মন্দিরের জনসমাগম যতটা এড়িয়ে চলা যায় সে ব্যবস্থা থাকবে। আবার এই করোনা ভাইরাসের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও বন্ধ রয়েছে। মূলত সরস্বতী পূজা বেশিরভাগই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা আয়োজন করে থাকেন। সরস্বতী পূজার দিনে দেবীর সামনেই হাতে খঁড়ি দেওয়ার বিষয় থাকে। এ সময় মা সরস্বতীর সামনে ব্রাহ্মণের মন্ত্রপাঠের সঙ্গে সঙ্গে লেখার মধ্য দিয়ে শিশুদের বিদ্যাচর্চার সূচনা হয়।