বাঘায় জমি সংক্রান্ত ভোগ-দখল নিয়ে জটিলতা

38

বাঘা(রাজশাহী)প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাঘা উপজেলাধীন পাকুড়িয়া এলাকায় জমি সংক্রান্ত ভোগ-দখল নিয়ে জটিলতা তৈরী হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ সূত্রে, তফশীল বর্ণিত সম্পত্তি পাকুড়িয়া মৌজার মধ্যে আর, এস খতিয়ান নং-৬৭০ দাগ নং-৬৭৪ জমির পরিমাণ ৩২ শতাংশের মূল মালিক সুরেন্দ্রন নাথ কর্মকার। পৈত্রিক সূত্রে মালিকানা দাবি করছেন মৃত ধীরেন্দ্রনাথ,মৃত নন্দদুলাল কর্মকার, শ্রী শ্যামল কর্মকার, শ্রী পুস্পনারায়ন কর্মকার সকল পিতা-মৃত সুরেন্দ্রনাথ কর্মকার।

এদিকে দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে ক্রয় সূত্রে ভোগ-দখলে রয়েছেন মোঃ সামসুল হক মালিথা,মোঃ শহিদুল হক,মোঃসাজেদুল হক ও মোঃ সানিউল হক মালিথা। সামসুল হক মালিথা জানান,আমার বাবা ১৯৭৬ সনে এই জমি ক্রয় করেন। যার দলিল নং-৩০৬০৩, ৪০৩-৫৫-৫৭/১৯৭৬ সদর অফিস দাতা ধীরেন্দ্রনাথ, নন্দ দুলাল কর্মকার, শ্রী শ্যামল কর্মকার, শ্রী পুস্পনারায়ন কর্মকার সকলেরই পিতা-মৃত,সুরেন্দ্রনাথ কর্মকার। এদের মধ্যে বর্তমানে ২জন মৃত্যুবরণ করেছেন।

তিনি আরও জানান,এই বিষয়ে একাধিকবার কথা হয়েছে,আমরা রাজশাহী ভূমি রেকর্ড অফিস হতে আমাদের দলিলের সত্যতা করে দেখেছি মূল ভলিউমে আমার বাবার ক্রয়কৃত (দলিল) সঠিক প্রমাণিত হয়েছে।আমরা সার্চিং কপিও তুলে এনেছি। আমাদের বর্তমানে বসত পাকা বাড়ী রয়েছে এবং দীর্ঘ ৪৫ বছর ভোগ-দখলে রয়েছি। দাতা নিজেই অভিযোগকারী উদ্দেশ্যে প্রণীতভাবে হয়রানি মূলক কথা বলে বেড়াছেন। আমার বাবার মৃত্যুর পরে জানতে পারি এখনও নামজারী করা হয়নি। ইতোমধ্যে আমি বাঘা ভূমি অফিসে আমাদের প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র সরকারী বিধি মোতাবেক নামজারীর জন্য জমা দিয়েছি যা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে অফিসে।

শ্রী শ্যামল কর্মকার প্রতিবেদককে অভিযোগ করে বলেন,এস,এস এবং আর,এস রেকডীয় মালিক ছিলেন সুরেন্দ্র নাথ কর্মকার, তিনি মারা গেলে তার ওয়ারিশগণ আমরা ৪ ভাই। আমি ৬৭০ নং খতিয়ানের ৬৮৪ দাগের সরকারী ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করে আসছি মীরগঞ্জ ভূমি অফিসে। আমরা কর দিচ্ছি আর সামসুল হক মালিথা জমি ভোগ করবে এটা কেমন কথা।

এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন,আমরা ২ভাই বেঁচে আছি আর ২জন মারা গেছে। ছোট ভাই পুস্পনারায়ন এবিষয়ে কোন ভুমিকা নিচ্ছে না। তাই আমি একাই পৈত্রিক সম্পদ উদ্ধার করতে বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরছি। আমি নালিশী “ক” তপসির ভূক্ত ভূমির গত ১০ জানুয়ারি তে কোর্টে ফৌজদারী কার্যবিধি ১৪৪ ধারায় একটি অভিযোগ দায়ের করি ও রায় চলতি বছরেই নভেম্বরে বের হয়। কোর্ট হতে এসিল্যান্ড ও ওসি সাহেবকে নির্দেশনায় দেওয়া হয় তার সকল কপি আমার নিকটে রয়েছে। আমি গত ২৯ অক্টোম্বর ১৯ সনে বাঘা পৌরসভার আদালতে লিখিত অভিযোগ করেছিলাম।সব শেষ ২ডিসেম্বর বাঘা থানায় আবারও জমি উদ্ধার করনে লিখিত অভিযোগ করেছি।